ঢাকা ০২:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৯ ডিসেম্বর ২০২৫, ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
এইমাত্র প্রকাশিত
গ্রাম আদালত বিষয়ক সচেতনতামূলক ভিডিও প্রদর্শন বরগুনা সদরের চারটি ইউনিয়নে বরগুনায় ফুলঝুরি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নির্বিঘ্নে তৃতীয় প্রান্তিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত পীরগঞ্জে পরকীয়া অপবাদে দিনভর গৃহবধু নির্যাতন, ভোরে মিলল ঝুলন্ত মরদেহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও AI-র অপব্যবহার রোধে পঞ্চগড়ে গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত লন্ডনে বসে রাজনীতি করা চলবে না.. সাদিক কায়েম বরগুনায় পুলিশ সদস্যদের ৩ দিনব্যাপী নির্বাচনী প্রশিক্ষণ কোর্সের শুভ উদ্বোধন পীরগঞ্জে জিংক সমৃদ্ধ ধানের বীজ বিতরণ পীরগঞ্জে হানাদার মুক্ত দিবস পালিত বরগুনায় বদরখালী ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী পান্না আকনের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত পীরগঞ্জে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মাঝে ছাগল বিতরণ

পৌরসভা শুধু উপকারভোগী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে টিসিবিকে সহযোগিতা করে থাকে পৌর প্রশাসক ঘোড়াঘাট

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:৫১:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ মে ২০২৫ ৯২৮ বার পড়া হয়েছে

ঘোড়াঘাট (দিনাজপুর)প্রতিনিধি

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট পৌরসভার প্রশাসক ও সহকারী কমিশনার ভূমি আব্দুল আল মামুন কাওসার শেখ এক জরুরী সর্তকতা মুলক

বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানান পৌরসভা শুধু উপকারভোগী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে টিসিবিকে সহযোগিতা করে থাকে।

টিসিবি পৌরসভার কোনো নিজস্ব কার্যক্রম না। টিসিবি( ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ) একটি স্বতন্ত্র প্রতিষ্ঠান।সারাদেশে সরকারি প্রতিষ্ঠান গুলো যেমন পৌরসভা, ইউনিয়ন পরিষদ, জেলা পরিষদ, সিটি কর্পোরেশনের মাধ্যমে উপকারভোগী বাছাই টিসিবিকে শুধুমাত্র সহযোগিতা করে থাকে। উপকারভোগিরা আবেদনের পর টিসিবি কর্তৃপক্ষ কর্তৃক যাদের কার্ড একটিভ হয়।শুধুমাত্র তাদের নামেই বরাদ্দ আসে। একটিভ কার্ডধারীর মাঝে টিসিবির পণ্য বিতরণ করা হয়।

তিনি বিজ্ঞপ্তি আরও উল্লেখ করেন, ২০২৩ সাল পর্যন্ত দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট পৌরসভায় টিসিবির কার্ড ছিলো ১৬৮০ টি। ২০২৪ সালে নতুন ১১৬৫টি কার্ড যুক্ত হয়ে মোট কার্ড হয় ২৮৪৫ টি। ২৮৪৫ এর মধ্যে স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ড আসে ১৬৮০ জনের। সেখানে ৫৭৩ টি কার্ডে বিভিন্ন ভুল থাকায় টিসিবি থেকে বিতরণ না করতে বলা হয়।

অবশিষ্ট ১১৭০ টি স্মার্ট কার্ড পৌরসভার পক্ষ থেকে বিতরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। ১১৭০ জনের মধ্যে ৩৪৭ জন কার্ড নিতে আসেনি বা একটিভ করেনি। মোট ৭৬০ জনের কার্ড একটিভ হয়েছে এবং সে অনুযায়ী মালামাল বিতরণ করা হচ্ছে। বর্তমানে যাদের কার্ড একটিভ আছে টিসিবি শুধু তাদের মালামাল পাঠাচ্ছে। এটা সম্পূর্ণ টিসিবির সিদ্ধান্ত। এখানে পৌরসভার কোন সম্পৃক্ততা নেই।

ভুল তথ্যের জন্য উপকারভোগীরা নিজেরাই অনেকটা দায়ী। তথ্য দেয়ার সময় তারা আইডি কার্ড দিয়েছে একজনের, মোবাইল নাম্বার দিয়েছে আরেকজনের। একই ফ্যামিলির একাধিক কার্ড ছিলো যা সিস্টেম অটোমেটিকভাবে বাদ দিয়ে দিয়েছে। তাই বর্তমানে ঘোড়াঘাট পৌরসভায় টিসিবি তাদের নিজস্ব ডিলারের মাধ্যমে ৭৬০ জন।একটিভ কার্ডধারীকে ন্যায্যমূল্যে মালামাল দিচ্ছে।

এছাড়াও তিনি ঘোড়াঘাট পৌরবাসীকে টিসিবির পণ্য বিতরণ নিয়ে সঠিক তথ্য না জেনে গুজবে কান না দেওয়ার আহবান জানান

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

পৌরসভা শুধু উপকারভোগী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে টিসিবিকে সহযোগিতা করে থাকে পৌর প্রশাসক ঘোড়াঘাট

আপডেট সময় : ০২:৫১:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ মে ২০২৫

ঘোড়াঘাট (দিনাজপুর)প্রতিনিধি

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট পৌরসভার প্রশাসক ও সহকারী কমিশনার ভূমি আব্দুল আল মামুন কাওসার শেখ এক জরুরী সর্তকতা মুলক

বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানান পৌরসভা শুধু উপকারভোগী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে টিসিবিকে সহযোগিতা করে থাকে।

টিসিবি পৌরসভার কোনো নিজস্ব কার্যক্রম না। টিসিবি( ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ) একটি স্বতন্ত্র প্রতিষ্ঠান।সারাদেশে সরকারি প্রতিষ্ঠান গুলো যেমন পৌরসভা, ইউনিয়ন পরিষদ, জেলা পরিষদ, সিটি কর্পোরেশনের মাধ্যমে উপকারভোগী বাছাই টিসিবিকে শুধুমাত্র সহযোগিতা করে থাকে। উপকারভোগিরা আবেদনের পর টিসিবি কর্তৃপক্ষ কর্তৃক যাদের কার্ড একটিভ হয়।শুধুমাত্র তাদের নামেই বরাদ্দ আসে। একটিভ কার্ডধারীর মাঝে টিসিবির পণ্য বিতরণ করা হয়।

তিনি বিজ্ঞপ্তি আরও উল্লেখ করেন, ২০২৩ সাল পর্যন্ত দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট পৌরসভায় টিসিবির কার্ড ছিলো ১৬৮০ টি। ২০২৪ সালে নতুন ১১৬৫টি কার্ড যুক্ত হয়ে মোট কার্ড হয় ২৮৪৫ টি। ২৮৪৫ এর মধ্যে স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ড আসে ১৬৮০ জনের। সেখানে ৫৭৩ টি কার্ডে বিভিন্ন ভুল থাকায় টিসিবি থেকে বিতরণ না করতে বলা হয়।

অবশিষ্ট ১১৭০ টি স্মার্ট কার্ড পৌরসভার পক্ষ থেকে বিতরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। ১১৭০ জনের মধ্যে ৩৪৭ জন কার্ড নিতে আসেনি বা একটিভ করেনি। মোট ৭৬০ জনের কার্ড একটিভ হয়েছে এবং সে অনুযায়ী মালামাল বিতরণ করা হচ্ছে। বর্তমানে যাদের কার্ড একটিভ আছে টিসিবি শুধু তাদের মালামাল পাঠাচ্ছে। এটা সম্পূর্ণ টিসিবির সিদ্ধান্ত। এখানে পৌরসভার কোন সম্পৃক্ততা নেই।

ভুল তথ্যের জন্য উপকারভোগীরা নিজেরাই অনেকটা দায়ী। তথ্য দেয়ার সময় তারা আইডি কার্ড দিয়েছে একজনের, মোবাইল নাম্বার দিয়েছে আরেকজনের। একই ফ্যামিলির একাধিক কার্ড ছিলো যা সিস্টেম অটোমেটিকভাবে বাদ দিয়ে দিয়েছে। তাই বর্তমানে ঘোড়াঘাট পৌরসভায় টিসিবি তাদের নিজস্ব ডিলারের মাধ্যমে ৭৬০ জন।একটিভ কার্ডধারীকে ন্যায্যমূল্যে মালামাল দিচ্ছে।

এছাড়াও তিনি ঘোড়াঘাট পৌরবাসীকে টিসিবির পণ্য বিতরণ নিয়ে সঠিক তথ্য না জেনে গুজবে কান না দেওয়ার আহবান জানান