মির্জা ফখরুলের ভাইয়ের উপর হামলায় জামায়াত ও আওয়ামী লীগ জড়িত: নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক মাহবুবর
- আপডেট সময় : ০২:০৪:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ জুলাই ২০২৫ ১৯৪ বার পড়া হয়েছে

এন এম নুরুল ইসলাম বালিয়াডাঙ্গী (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি:
ঠাকুরগাঁও-২ আসনে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ভাই এবং জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মির্জা ফয়সল আমিনের গাড়িবহরে হামলার জন্য জামায়াত ও আওয়ামী লীগকে দায়ী করেছেন নবনির্বাচিত উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ড. টিএম মাহবুবর রহমান। তিনি বলেন, “এটি তার জনপ্রিয়তা ও ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার সুপরিকল্পিত অপচেষ্টা।”
রবিবার (১৩ জুলাই) বিকেলে ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন ড. টিএম মাহবুবর রহমান।
এর আগের দিন (১২ জুলাই) বালিয়াডাঙ্গীতে ৮ বছর পর অনুষ্ঠিত হয় উপজেলা বিএনপির দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন।
হামলার নিন্দা জানিয়ে তিনি বলেন, “সম্মেলনের ফলাফল ঘোষণার পর মির্জা ফয়সল আমিন যখন বাড়ির উদ্দেশ্যে যাচ্ছিলেন, তখন তার গাড়িবহরে হামলা চালানো হয়। এই বর্বর ঘটনার আমরা তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। প্রশাসনের কাছে আহ্বান জানাই, দ্রুত প্রকৃত দোষীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হোক।”
তিনি আরও বলেন, “সবার জানা আছে, ঠাকুরগাঁও-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ছিলেন মির্জা রুহুল আমিন চাচা। তার উত্তরসূরি হিসেবে মির্জা ফয়সল আমিন নির্বাচন করতে পারেন—এ সম্ভাবনায় ঈর্ষান্বিত হয়ে তার ভাবমূর্তি নষ্ট করতে হামলা চালানো হয়েছে। জামায়াত-আওয়ামী লীগের লোকজন এতে জড়িত থাকতে পারে বলে আমাদের ধারণা।”
বিএনপির অভ্যন্তরে কোনো বিভাজন নেই দাবি করে ড. টিএম মাহবুবর বলেন, “বিএনপির কেউ এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত নন। সম্মেলন অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ পরিবেশে এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে কোনো বিরোধ বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়নি। বরং সামগ্রিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট বিশ্লেষণ করলে স্পষ্ট হয়, এটি আসন্ন সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে পূর্বপরিকল্পিত হামলা।
উল্লেখ্য, দীর্ঘ ৮ বছর পর গতকাল ১২ জুলাই বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার সমিরউদ্দীন স্মৃতি কলেজ মাঠে বিএনপির সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সভাপতি পদে অ্যাডভোকেট সৈয়দ আলম (ছাতা প্রতীক) ও আবু হায়াত নুরন্নবী (চেয়ার প্রতীক) প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। প্রথমে ছাতা প্রতীকের পক্ষে ২ ভোটে এগিয়ে থাকলেও পরে সেগুলো বাতিল করে ফলাফল ড্র ঘোষণা করা হয় এমন দাবী করা হয়
সাধারণ সম্পাদক পদে ঘোড়া প্রতীক নিয়ে বিজয়ী হন ড. টিএম মাহবুবর রহমান এবং সাংগঠনিক সম্পাদক পদে মুহিব অয়ন চৌধুরী ও মামুন আকতার সবুর বিজয়ী হন।
ভোটগ্রহণ চলাকালে সভাপতি পদের ফলাফল নিয়ে উত্তেজনা তৈরি হলে সেনাবাহিনী এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে কেন্দ্রে এসে ফলাফল ঘোষণা করেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মির্জা ফয়সল আমিন বাড়ী উদ্দেশ্যে যাচ্ছিলেন এসময় কে বা কাহারা তাকে বহনকারী গাড়ী ভাঙচুর করে তার উপর হামলা চালায়।












