ঢাকা ০২:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৯ ডিসেম্বর ২০২৫, ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
এইমাত্র প্রকাশিত
গ্রাম আদালত বিষয়ক সচেতনতামূলক ভিডিও প্রদর্শন বরগুনা সদরের চারটি ইউনিয়নে বরগুনায় ফুলঝুরি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নির্বিঘ্নে তৃতীয় প্রান্তিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত পীরগঞ্জে পরকীয়া অপবাদে দিনভর গৃহবধু নির্যাতন, ভোরে মিলল ঝুলন্ত মরদেহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও AI-র অপব্যবহার রোধে পঞ্চগড়ে গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত লন্ডনে বসে রাজনীতি করা চলবে না.. সাদিক কায়েম বরগুনায় পুলিশ সদস্যদের ৩ দিনব্যাপী নির্বাচনী প্রশিক্ষণ কোর্সের শুভ উদ্বোধন পীরগঞ্জে জিংক সমৃদ্ধ ধানের বীজ বিতরণ পীরগঞ্জে হানাদার মুক্ত দিবস পালিত বরগুনায় বদরখালী ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী পান্না আকনের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত পীরগঞ্জে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মাঝে ছাগল বিতরণ

ঢাকায় জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশনের অফিস স্থাপনের প্রতিবাদে সিলেট জেলা জমিয়তের বিক্ষোভ মিছিল। 

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:০৯:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ জুলাই ২০২৫ ৪৮৯ বার পড়া হয়েছে

এইচ এম মিছবাহ উদ্দিন ( সিলেট প্রতিনিধি)

২৫ জুলাই শুক্রবার, বাদ জুম্মা সিলেট বন্দর বাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের সামনে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে জেলা উত্তর ও জেলা দক্ষিণ জমিয়তের উদ্যোগে এক প্রতিবাদ সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশে বক্তারা ঢাকায় জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশনের অফিস বাংলাদেশে স্থাপনের সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ জানান। তারা বলেন, এটি শান্তিপ্রিয় বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপের শামিল এবং অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে পরিচালিত একটি ষড়যন্ত্র।

আরো বলেন: বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব নিয়ে কোনো আপোস হতে পারে না। আমাদের নেতৃবৃন্দ যদি আহ্বান জানান, আমরা মৃত্যুকে আলিঙ্গন করার জন্য প্রস্তুত—কাফনের কাপড় পরে হলেও রাজপথে নামতে দ্বিধা করব না।

বক্তব্য রাখেন সিলেট জেলা জমিয়তের নেতৃিবৃন্দ বলেন: আমরা আমাদের রক্ত দিয়ে দিল্লির দাসত্ব থেকে মুক্তির জন্য আন্দোলন করেছি।

আজ যদি সেই বাংলাদেশ আবার নতুন রূপে ওয়াশিংটনের গোলামির পথে পরিচালিত হয়, তাহলে তা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এই ভূমিতে বিদেশি কোন হস্তক্ষেপ কখনো বরদাশত করা হবে না। রাজনৈতিক দলগুলো জনগণের প্রতিনিধিত্বের দাবি করে, তারা আজ নির্বাক। ক্ষমতার মোহে তারা জাতীয় স্বার্থ বিসর্জন দিয়েছে। দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় তারা আজ ভূমিকা রাখতে ব্যর্থ। যারা অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করেছেন, তাদের দায়িত্ব ছিল সুশাসন প্রতিষ্ঠা, প্রয়োজনীয় সংস্কার ও একটি অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করা। কিন্তু বাস্তবে তারা অনর্থক কর্মসূচি বাস্তবায়নে ব্যস্ত। জাতীয় স্বার্থে তাদের এই পথ থেকে ফিরে আসা জরুরি। বক্তারা আরো বলেন: বিশ্বের বহু দেশে মুসলমানদের উপর অবর্ণনীয় নির্যাতন চললেও সেখানে জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশনের কার্যকর কোনো পদক্ষেপ দেখা যায় না। অথচ শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশে মানবাধিকার রক্ষার নামে একটি অফিস স্থাপন করে রাজনৈতিক ও সামাজিক অস্থিরতা সৃষ্টি করার পায়তারা চলছে। এই প্রক্রিয়া দেশের স্বাধীনতা ও স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি স্বরূপ।

এই কর্মসূচির মাধ্যমে নেতৃবৃন্দ বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষার প্রশ্নে জনগণকে সচেতন ও সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান।জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ঢাকায় জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশনের অফিস স্থাপনের প্রতিবাদে সিলেট জেলা জমিয়তের বিক্ষোভ মিছিল। 

আপডেট সময় : ০১:০৯:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ জুলাই ২০২৫

এইচ এম মিছবাহ উদ্দিন ( সিলেট প্রতিনিধি)

২৫ জুলাই শুক্রবার, বাদ জুম্মা সিলেট বন্দর বাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের সামনে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে জেলা উত্তর ও জেলা দক্ষিণ জমিয়তের উদ্যোগে এক প্রতিবাদ সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশে বক্তারা ঢাকায় জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশনের অফিস বাংলাদেশে স্থাপনের সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ জানান। তারা বলেন, এটি শান্তিপ্রিয় বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপের শামিল এবং অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে পরিচালিত একটি ষড়যন্ত্র।

আরো বলেন: বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব নিয়ে কোনো আপোস হতে পারে না। আমাদের নেতৃবৃন্দ যদি আহ্বান জানান, আমরা মৃত্যুকে আলিঙ্গন করার জন্য প্রস্তুত—কাফনের কাপড় পরে হলেও রাজপথে নামতে দ্বিধা করব না।

বক্তব্য রাখেন সিলেট জেলা জমিয়তের নেতৃিবৃন্দ বলেন: আমরা আমাদের রক্ত দিয়ে দিল্লির দাসত্ব থেকে মুক্তির জন্য আন্দোলন করেছি।

আজ যদি সেই বাংলাদেশ আবার নতুন রূপে ওয়াশিংটনের গোলামির পথে পরিচালিত হয়, তাহলে তা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এই ভূমিতে বিদেশি কোন হস্তক্ষেপ কখনো বরদাশত করা হবে না। রাজনৈতিক দলগুলো জনগণের প্রতিনিধিত্বের দাবি করে, তারা আজ নির্বাক। ক্ষমতার মোহে তারা জাতীয় স্বার্থ বিসর্জন দিয়েছে। দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় তারা আজ ভূমিকা রাখতে ব্যর্থ। যারা অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করেছেন, তাদের দায়িত্ব ছিল সুশাসন প্রতিষ্ঠা, প্রয়োজনীয় সংস্কার ও একটি অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করা। কিন্তু বাস্তবে তারা অনর্থক কর্মসূচি বাস্তবায়নে ব্যস্ত। জাতীয় স্বার্থে তাদের এই পথ থেকে ফিরে আসা জরুরি। বক্তারা আরো বলেন: বিশ্বের বহু দেশে মুসলমানদের উপর অবর্ণনীয় নির্যাতন চললেও সেখানে জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশনের কার্যকর কোনো পদক্ষেপ দেখা যায় না। অথচ শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশে মানবাধিকার রক্ষার নামে একটি অফিস স্থাপন করে রাজনৈতিক ও সামাজিক অস্থিরতা সৃষ্টি করার পায়তারা চলছে। এই প্রক্রিয়া দেশের স্বাধীনতা ও স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি স্বরূপ।

এই কর্মসূচির মাধ্যমে নেতৃবৃন্দ বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষার প্রশ্নে জনগণকে সচেতন ও সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান।জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ।