প্রতিপক্ষের মিথ্যা অভিযোগের প্রতিবাদে তালতলীতে সংবাদ সম্মেলন, বিচার চাইলেন জাহাঙ্গীর ডিলার
- আপডেট সময় : ০১:২৮:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ জুলাই ২০২৫ ৩৯২ বার পড়া হয়েছে

বরগুনা প্রতিনিধি:
বরগুনা জেলার তালতলী উপজেলায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের মিথ্যা অভিযোগের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছেন স্থানীয় ব্যবসায়ী মো. জাহাঙ্গীর হোসাইন (ডিলার)। গতকাল বিকেল ৫টায় বরগুনা জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
লিখিত বক্তব্যে জাহাঙ্গীর ডিলার জানান, তিনি তালতলী বাজারের সুইজগেট সংলগ্ন এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে কীটনাশক ঔষধের দোকান পরিচালনা করে আসছেন এবং দোকানের পেছনে বাসা নিয়ে বসবাস করছেন। কিন্তু পার্শ্ববর্তী শাহজাহান মাতুব্বর ও তার ছেলে হাফিজুর বিভিন্নভাবে তার ভোগদখলীয় জমি দখলের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
তিনি অভিযোগ করেন, কোরবানির ঈদের ১৫ দিন আগে শাহজাহান মাতুব্বর স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সামনে সাময়িকভাবে জমিতে মাটি রাখতে চান বলে জানান। জাহাঙ্গীর সম্মতিও দেন। কিন্তু সময়মতো মাটি না সরিয়ে বরং জমি দখলের চেষ্টায় লিপ্ত হন শাহজাহান ও তার সহযোগীরা। এ নিয়ে প্রতিবাদ করায় তাকে ও তার ছেলে নাদিমকে মারধর ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। এমনকি দোকান ও বসতঘর জ্বালিয়ে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয় বলে দাবি করেন তিনি।
এ সময় হাফিজুর একটি ইট নিক্ষেপ করলে তা বাড়ির বেড়া ভেঙে মিলের এক মিস্ত্রির গায়ে পড়ে আহত হন। পরে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে আহত নাদিমকে উদ্ধার করে তালতলী হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেন এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়।
এই ঘটনার পর জাহাঙ্গীর তালতলী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (নং ৭৯৩, তারিখ: ২৩/৬/২০২৫) করেন। ডায়েরি তদন্তে পুলিশ প্রাথমিকভাবে ঘটনার সত্যতা পেয়েছে বলেও সংবাদ সম্মেলনে জানান তিনি। তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই বাবুল জানান, সাক্ষ্যগ্রহণে প্রতিপক্ষের হামলার সত্যতা পাওয়া গেছে এবং এ বিষয়ে আদালতে আইনি প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।
এদিকে, জাহাঙ্গীর ডিলার অভিযোগ করেন, প্রকৃত ঘটনা আড়াল করতে এবং নিজেদের অপরাধ ঢাকতে প্রতিপক্ষ শাহজাহান ও তার ছেলে হাফিজুর নাটক সাজিয়ে ৯ জুলাই রাত ১টায় একটি মিথ্যা সাধারণ ডায়েরি (নং ৩৭৯, তারিখ: ১০/০৭/২০২৫) করেন। ডায়েরিতে তার ছোট ছেলে নাঈমের নামও অন্তর্ভুক্ত করা হয়, যিনি ঐ সময় ঢাকায় পড়াশোনা ও চিকিৎসাধীন মায়ের পাশে ছিলেন।
তিনি বলেন, ঘটনাটি পুরোপুরি সাজানো এবং এর উদ্দেশ্য শুধুমাত্র ফাঁসানো। সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তিনি তালতলী থানার ওসি এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচারের দাবি জানান।












