ঢাকা ০২:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৯ ডিসেম্বর ২০২৫, ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
এইমাত্র প্রকাশিত
গ্রাম আদালত বিষয়ক সচেতনতামূলক ভিডিও প্রদর্শন বরগুনা সদরের চারটি ইউনিয়নে বরগুনায় ফুলঝুরি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নির্বিঘ্নে তৃতীয় প্রান্তিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত পীরগঞ্জে পরকীয়া অপবাদে দিনভর গৃহবধু নির্যাতন, ভোরে মিলল ঝুলন্ত মরদেহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও AI-র অপব্যবহার রোধে পঞ্চগড়ে গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত লন্ডনে বসে রাজনীতি করা চলবে না.. সাদিক কায়েম বরগুনায় পুলিশ সদস্যদের ৩ দিনব্যাপী নির্বাচনী প্রশিক্ষণ কোর্সের শুভ উদ্বোধন পীরগঞ্জে জিংক সমৃদ্ধ ধানের বীজ বিতরণ পীরগঞ্জে হানাদার মুক্ত দিবস পালিত বরগুনায় বদরখালী ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী পান্না আকনের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত পীরগঞ্জে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মাঝে ছাগল বিতরণ

সমিরন নেছা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মুক্তা বানুর বিরুদ্ধে

জয়পুরহাটে শিক্ষকের বিরুদ্ধে অব্যবস্থাপনা ও দূর্নীতির অভিযোগ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:০২:০৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৫ ৪১৬ বার পড়া হয়েছে

সেলিম হোসেন রুবেল জয়পুরহাট জেলা প্রতিনিধি:

জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলা শহরের সমিরন নেছা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মুক্তা বানুর বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক অস্বচ্ছতা ও অব্যবস্থাপনার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এমন অভিযোগ করে এর প্রতিকার চেয়ে জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ জানান এবং এই লিখিত অভিযোগের অনুলিপি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার, পাঁচবিবি উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পাঁচবিবি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের কাছে প্রেরণ করেন অভিযোগ কারীরা। অভিযোগকারীরা হলেন- একই এলাকার খালেকুজ্জামান, আব্দুর রহমান, শামীমুর রহমান, শফিকুর রহমান৷ আলমগীর কুম কুম, প্রণব বসাক, মনজুর মোরশেদ, ফাতেমা বেগমসহ ১০ জন। প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে যে অভিযোগগুলি হলো স্লিপের বরাদ্দকৃত অর্থ আত্মসাৎ, বিদ্যালয় চলাকালে প্রতিদিন বিকেল ৩ টার পরে পাঠদান না হওয়ায় অধিকাংশ শিক্ষার্থী নির্দিষ্ট সময়ের পূর্বেই বাড়ি চলে যায়, প্রতি বছর বরাদ্দ থাকলেও টয়লেট পরিস্কার না করা, দপ্তরি কাম প্রহরী থাকলেও শ্রেণিকক্ষ, খেলার মাঠ ও টয়লেট পরিস্কার না করা, চারু ও কারু পরীক্ষায় হাতের কাজের নামে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের নগদ টাকা দিতে বাধ্য করা, কিছু শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তির টাকা প্রধান শিক্ষকের নিজ বিকাশ একাউন্টে নেওয়া, পাঠদান চলাকালে ক’জন শিক্ষক শ্রেণিকক্ষেই ঘুমান বা মোবাইল নিয়ে ব্যস্থ থাকেন, অধিকাংশ শিক্ষক শিক্ষার্থীদের প্রাইভেট পড়ান , শিক্ষকরা বিশুদ্ধ খাবার পানি পান করলেও শিক্ষার্থীরা পৌরসভার সরবরাহ করা পানি পান করে। সমিরন নেসা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মুক্তা বানু অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে অভিযোগগুলো করা হয়েছে। পাঁচবিবি উপজেলার ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা বেলায়েত হোসেন জানান, ” গতকাল নির্বাহী কর্মকর্তার বদলি হয়েছে, আমি আজ থেকে ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করেছি, সবকিছু জেনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ” এ ব্যাপারে জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ জেছের আলী জানান, ” গত ৭ অক্টোবর তারিখের লেখা একটি অভিযোগ সম্প্রতি জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয়ে এসেছে, তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

সমিরন নেছা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মুক্তা বানুর বিরুদ্ধে

জয়পুরহাটে শিক্ষকের বিরুদ্ধে অব্যবস্থাপনা ও দূর্নীতির অভিযোগ

আপডেট সময় : ১১:০২:০৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৫

সেলিম হোসেন রুবেল জয়পুরহাট জেলা প্রতিনিধি:

জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলা শহরের সমিরন নেছা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মুক্তা বানুর বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক অস্বচ্ছতা ও অব্যবস্থাপনার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এমন অভিযোগ করে এর প্রতিকার চেয়ে জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ জানান এবং এই লিখিত অভিযোগের অনুলিপি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার, পাঁচবিবি উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পাঁচবিবি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের কাছে প্রেরণ করেন অভিযোগ কারীরা। অভিযোগকারীরা হলেন- একই এলাকার খালেকুজ্জামান, আব্দুর রহমান, শামীমুর রহমান, শফিকুর রহমান৷ আলমগীর কুম কুম, প্রণব বসাক, মনজুর মোরশেদ, ফাতেমা বেগমসহ ১০ জন। প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে যে অভিযোগগুলি হলো স্লিপের বরাদ্দকৃত অর্থ আত্মসাৎ, বিদ্যালয় চলাকালে প্রতিদিন বিকেল ৩ টার পরে পাঠদান না হওয়ায় অধিকাংশ শিক্ষার্থী নির্দিষ্ট সময়ের পূর্বেই বাড়ি চলে যায়, প্রতি বছর বরাদ্দ থাকলেও টয়লেট পরিস্কার না করা, দপ্তরি কাম প্রহরী থাকলেও শ্রেণিকক্ষ, খেলার মাঠ ও টয়লেট পরিস্কার না করা, চারু ও কারু পরীক্ষায় হাতের কাজের নামে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের নগদ টাকা দিতে বাধ্য করা, কিছু শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তির টাকা প্রধান শিক্ষকের নিজ বিকাশ একাউন্টে নেওয়া, পাঠদান চলাকালে ক’জন শিক্ষক শ্রেণিকক্ষেই ঘুমান বা মোবাইল নিয়ে ব্যস্থ থাকেন, অধিকাংশ শিক্ষক শিক্ষার্থীদের প্রাইভেট পড়ান , শিক্ষকরা বিশুদ্ধ খাবার পানি পান করলেও শিক্ষার্থীরা পৌরসভার সরবরাহ করা পানি পান করে। সমিরন নেসা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মুক্তা বানু অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে অভিযোগগুলো করা হয়েছে। পাঁচবিবি উপজেলার ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা বেলায়েত হোসেন জানান, ” গতকাল নির্বাহী কর্মকর্তার বদলি হয়েছে, আমি আজ থেকে ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করেছি, সবকিছু জেনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ” এ ব্যাপারে জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ জেছের আলী জানান, ” গত ৭ অক্টোবর তারিখের লেখা একটি অভিযোগ সম্প্রতি জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয়ে এসেছে, তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।