বাজার ধরে রাখতে হলে সম্পর্ক অব্যাহত রাখতে হবে
আজকের কণ্ঠঃ ওয়েবসাইটে স্বাগতম | যোগাযোগ : 01730951049, 8802 58316319, 8802 5831 6320
৩১ অক্টোবর, ২০২০ ০৭:০২ অপরাহ্ন       রেজিষ্টার করুন | লগইন    


  

অর্থনীতি: বানিজ্য


বাজার ধরে রাখতে হলে সম্পর্ক অব্যাহত রাখতে হবে

Sabuj ০৫-০৭-২০১৮ ০৪:১০ অপরাহ্ন প্রকাশিতঃ

মেহেদী হাসান আলবাকার :

 

স্বল্প উন্নত দেশের তালিকা থেকে চুড়ান্ত ভাবে উত্তোরণের পর বাজার সুবিধা ধরে রাখতে ইউরোপিয় ইউনিয়নভুক্ত সব দেশের সাথে যোগাযোগ ও সম্পর্ক অব্যাহত রাখতে হবে বাংলাদেশকে। আর সে সময় যুক্তরাজ্য যদি ইউরোপিয় ইউনিয়নে না থাকে তবে তাদের সাথে আলাদাভাবে মধ্যস্থতা করতে হবে। বৃহস্পতিবার রাজধানির বিজিএমইএ ভবনে এক সংবর্ধনায় এমনটাই জানান নেদারল্যন্ডসের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত লিয়নি কিউলিনিয়ার। 

 

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ইউরোপিয় ইউনিয়নের আমদানী করা পোশাকের প্রায় ২০ শতাংশই যায় বাংলাদেশ থেকে। স্বল্প উন্নত দেশ হবার কারনে এখনো ইউরোপের বাজারে শুল্কমুক্ত কোটায় রপ্তানি সুবিধা পায় বাংলাদেশ। কিন্তু ২০২৭ সাল নাগাদ বাংলাদেশ মধ্যমআয়ের দেশের উত্তোরণ প্রক্রিয়া সম্পূর্ন কার্যকর হলে এ সুবিধা হয়তো আর থাকবে না। তখন বাজার ধরে রাখতে চাইলে বাংলাদেশকে অবশ্যই মধ্যস্থতা অব্যাহত রাখতে হবে। সেটি ইউরোপিয় ইউনিয়ন এবং বাংলাদেশের রাজনৈতিক নেতৃত্বে যখন যারাই থাকুক না কেন। 

 

এর আগে বিদায়ী রাষ্ট্রদূত তার বক্তৃতায় বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পের ভুয়সি প্রসংশা করেন। তার মতে, রানা প্লাজা দুর্ঘটনায় বিশ্বজুড়ে বাংলাদেশের কর্মপরিবেশের সমালোচনা আসলে নতুন সুযোগ এনে দিয়েছে। কর্ম পরিবেশ এবং শ্রমিক অধিকার রক্ষায় অনেক উন্নতি হয়ে গেল কয়েক বছরে। বিশ্বের সবচেয়ে আধুনিক এবং পরিবেশবান্ধব অনেকগুলো পোশাক কারখানা এখন বাংলাদেশে রয়েছে। 

 

তবে বিশ্ববাজারে প্রতিযোগীতায় টিকে থাকার পাশাপাশি আরও এগিয়ে যেতে চাইলে উন্নতির এই ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখতে হবে তাও মনে করিয়ে দেন তিনি। 

 

এর আগে বিজিএমইএ সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান তার বক্তৃতায় বিদায়ি রাষ্ট্রদূত লিয়নি কিউলিনিয়ারকে বিশ্বদরবারে বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের দূত উল্লেখ করে বলেন, খুবই কঠিন একটা সময়ে তিনি বাংলাদেশে এসেছিলেন। যখন রানা প্লাজা দুর্ঘটনার পর কঠিন সময় পর করছিলাম আমরা। সেই সময় সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছিলেন তিনি। 

 

তৈরি পোশাক শিল্পের টেকসই সরবরাহ ব্যবস্থা নিয়ে ২০১৬ সালে এসএসিজএস আন্তর্জাতিক সম্মেলনের আয়োজন করেছিলাম আমরা। হলি আর্টিজানে সন্ত্রাসী হামলার ঠিক এক মাস পরে ছিল সেই সম্মেলন। সে সময় বিশ্বের প্রায় প্রতিটি দেশই তাদের পর্যটকদের বাংলাদেশে ভ্রমনের বিষয়ে সতর্ক করেছিল। তবে রাষ্ট্রদূত লিয়নি স্পষ্ট ভাষায় বলেছিলেন, বাংলাদেশ সন্ত্রাসীদের দেশ নয়। তার প্রচেষ্টায় সেই সম্মেলনে নেদারল্যান্ডসের মন্ত্রী লিলিএনি প্লোম্যান প্রধান অতিথি হিসাবে অংশ গ্রহন করেছিলন। দেশ বিদেশের বিপুল সংখ্যক আলোচক সম্মেলনে যোগ দেয়ায় সেখানে আমরা আমাদের শিল্পের সব শেষ অগ্রগতি তুলে ধরেছিলাম।  

 

লিয়নি বাংলাদেশ ছেড়ে চলে গেলেও বাংলাদেশের মানুষ ও পোশাক শিল্পের সাথে তার সংযোগ অব্যাহত থাকবে বলেই আশা সিদ্দিকুর রহমানের। নেদারল্যান্ডসের হয়ে বাংলাদেশে এলেও এখন বাংলাদেশের হয়ে লিয়নি ফরছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

০৫-০৭-২০১৮ ০৪:১০ অপরাহ্ন প্রকাশিত হয়েছে


পাঠকের ফেসবুক মন্তব্যঃ

আজকের কণ্ঠঃ সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

অন্যান্য খবরসমুহ
অর্থনীতি : আরো খরবসমুহ
  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ প্রকাশিত
ফেসবুকে আজকের কণ্ঠঃ
আজকের কণ্ঠঃ ফোকাস
বিজ্ঞাপন

ভিজিটর সংখ্যা
100
৩১ অক্টোবর, ২০২০ ০৭:০২ অপরাহ্ন