6:33 am, Tuesday, 23 July 2024

পঞ্চগড়ের পৌর ভূমি অফিসের বিরুদ্ধে ভুয়া তদন্ত রিপোর্ট প্রদানের অভিযোগ

প্রতিনিধির নাম

একেএম বজলুর রহমান পঞ্চগড় প্রতিনিধি

পঞ্চগড়ের সদরের পৌর ভূমি অফিসের তহসিলদার ও অফিস সহায়কের বিরুদ্ধে ভুয়া তদন্ত রিপোর্ট দেয়ার অভিযোগ উঠেছে।

এবিষয়ে জেলা প্রশাসক বরাবরে একটি লিখিত অভিযোগ দেয়া হয়েছে। লিখিত অভিযোগ দেন পঞ্চগড় পৌরসভার কায়েতপাড়া এলাকার রফিকুল ইসলামের স্ত্রী শারমিন আক্তার।

পঞ্চগড় প্রেসক্লাব বরাবের শারমিন আক্তার পঞ্চগড় পৌর ভূমি অফিসের তদন্ত রিপোর্ট বাতিলের জন্য একটি লিখিত অভিযোগ দেন।

লিখিত অভিযোগে পারভিন আক্তার জানান, আমার ১.৫৭ শতক জমির ২৫/২৪ নং মামলা ও ৫৩৯/২০২৩ নং সহ দুটি মামলা নিয়ে বিরোধে বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিষ্টেট আদালতে মামলা চলমান রয়েছে।

শারমিন আক্তার বলেন, জমি রয়েছে ৩.৮৮ এর মধ্যে ১.৫৭ শতক জমি ক্রয়কৃত বসতভিটা আর পারভিন আক্তারের ২.৩১ শতক জমি বসতভিটা। দুজনের বসতভিটাই ভিন্ন ভিন্ন।

মামলা দায়েরের পরে পঞ্চগড় সদরের পৌর ভূমি অফিসকে তদন্ত করার জন্য নির্দেশ দেন। ১৮ মার্চ সদর উপজেলার পঞ্চগড় পৌর ভূমি অফিস প্রতিবেদন দাখিল করে।

তদন্ত রিপোর্টে লেখা রয়েছে ১২০ বর্গফিট জায়গার মধ্যে প্রায় ২০ বছর যাবৎ উভয় পক্ষ বাড়ি হতে বের হওয়ার জন্য ও চলাচলের রাস্তা হিসেবে ব্যবহার করার জন্য একটি গলি রেখেছেন। অথচ এখানে কোন রাস্তাই ছিল না। পরে আবার বলেছেন তদন্তকালীন সময়ে বাদি বিবাদি উভয় পক্ষ সহ গন্যমান্য ব্যক্তি উপস্থিত ছিল। শারমিন আক্তার বলেন সে সময়ে আমি উপস্থিত ছিলাম না। আমি আমার জমিতে নিজের নিরাপত্তার স্বার্থের জন্য ঘরের ওয়ালের লাগানো বারান্দায় বাড়ি করার পর হাফওয়াল নির্মান করা হয়। পরবর্তীতে হাফওয়ালটি পুরোপুরি ভাবে পূর্নাঙ্গ ওয়াল তৈরি করি। কিন্তু তদন্তকারী কর্মকর্তা পুরো ওয়াল না লিখে হাফ লিখে দেন। তিনি আরও লিখেছেন হাফ ওয়াল মামলা দায়েরের একমাস পূর্বে তৈরি করেছেন। একথা আদৌ সত্যি নয়।

শারমিন আক্তার বলেন, পঞ্চগড় পৌর ভূমি অফিসের ভুমি সহকারী কর্মকর্তা ওমর ফারুক ও অফিস সহায়ক আব্দুস সালাম তদন্ত করেন। তদন্ত করা কালীন সময়ে আমি উপস্থিত ছিলাম না। তদন্তকারী কর্মকর্তা আমার বোনের নিকট প্রভাবিত হয়ে তদন্ত রিপোর্ট দাখিল করেন। বসতবাড়ি ভাংচর করার জন্য

২৯ এপ্রিল পঞ্চগড় সদর থানায় একটি জিডি করেছি। জিডির পরিপ্রেক্ষিতে পঞ্চগড় সদর থানা তদন্ত করে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপডেট সময় : 01:34:41 pm, Sunday, 5 May 2024
29 বার পড়া হয়েছে
error: Content is protected !!

পঞ্চগড়ের পৌর ভূমি অফিসের বিরুদ্ধে ভুয়া তদন্ত রিপোর্ট প্রদানের অভিযোগ

আপডেট সময় : 01:34:41 pm, Sunday, 5 May 2024

একেএম বজলুর রহমান পঞ্চগড় প্রতিনিধি

পঞ্চগড়ের সদরের পৌর ভূমি অফিসের তহসিলদার ও অফিস সহায়কের বিরুদ্ধে ভুয়া তদন্ত রিপোর্ট দেয়ার অভিযোগ উঠেছে।

এবিষয়ে জেলা প্রশাসক বরাবরে একটি লিখিত অভিযোগ দেয়া হয়েছে। লিখিত অভিযোগ দেন পঞ্চগড় পৌরসভার কায়েতপাড়া এলাকার রফিকুল ইসলামের স্ত্রী শারমিন আক্তার।

পঞ্চগড় প্রেসক্লাব বরাবের শারমিন আক্তার পঞ্চগড় পৌর ভূমি অফিসের তদন্ত রিপোর্ট বাতিলের জন্য একটি লিখিত অভিযোগ দেন।

লিখিত অভিযোগে পারভিন আক্তার জানান, আমার ১.৫৭ শতক জমির ২৫/২৪ নং মামলা ও ৫৩৯/২০২৩ নং সহ দুটি মামলা নিয়ে বিরোধে বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিষ্টেট আদালতে মামলা চলমান রয়েছে।

শারমিন আক্তার বলেন, জমি রয়েছে ৩.৮৮ এর মধ্যে ১.৫৭ শতক জমি ক্রয়কৃত বসতভিটা আর পারভিন আক্তারের ২.৩১ শতক জমি বসতভিটা। দুজনের বসতভিটাই ভিন্ন ভিন্ন।

মামলা দায়েরের পরে পঞ্চগড় সদরের পৌর ভূমি অফিসকে তদন্ত করার জন্য নির্দেশ দেন। ১৮ মার্চ সদর উপজেলার পঞ্চগড় পৌর ভূমি অফিস প্রতিবেদন দাখিল করে।

তদন্ত রিপোর্টে লেখা রয়েছে ১২০ বর্গফিট জায়গার মধ্যে প্রায় ২০ বছর যাবৎ উভয় পক্ষ বাড়ি হতে বের হওয়ার জন্য ও চলাচলের রাস্তা হিসেবে ব্যবহার করার জন্য একটি গলি রেখেছেন। অথচ এখানে কোন রাস্তাই ছিল না। পরে আবার বলেছেন তদন্তকালীন সময়ে বাদি বিবাদি উভয় পক্ষ সহ গন্যমান্য ব্যক্তি উপস্থিত ছিল। শারমিন আক্তার বলেন সে সময়ে আমি উপস্থিত ছিলাম না। আমি আমার জমিতে নিজের নিরাপত্তার স্বার্থের জন্য ঘরের ওয়ালের লাগানো বারান্দায় বাড়ি করার পর হাফওয়াল নির্মান করা হয়। পরবর্তীতে হাফওয়ালটি পুরোপুরি ভাবে পূর্নাঙ্গ ওয়াল তৈরি করি। কিন্তু তদন্তকারী কর্মকর্তা পুরো ওয়াল না লিখে হাফ লিখে দেন। তিনি আরও লিখেছেন হাফ ওয়াল মামলা দায়েরের একমাস পূর্বে তৈরি করেছেন। একথা আদৌ সত্যি নয়।

শারমিন আক্তার বলেন, পঞ্চগড় পৌর ভূমি অফিসের ভুমি সহকারী কর্মকর্তা ওমর ফারুক ও অফিস সহায়ক আব্দুস সালাম তদন্ত করেন। তদন্ত করা কালীন সময়ে আমি উপস্থিত ছিলাম না। তদন্তকারী কর্মকর্তা আমার বোনের নিকট প্রভাবিত হয়ে তদন্ত রিপোর্ট দাখিল করেন। বসতবাড়ি ভাংচর করার জন্য

২৯ এপ্রিল পঞ্চগড় সদর থানায় একটি জিডি করেছি। জিডির পরিপ্রেক্ষিতে পঞ্চগড় সদর থানা তদন্ত করে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করে।