BWSB,SKSB,BEEKF এর যৌথ ইঞ্জিনিয়ারিং টিম নিকলী হাওড় ভ্রমণ

মাসুদ রানা, স্টাফ রিপোর্টার।
  • আপডেট সময় : ০৪:০৩:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৩ ৫১ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক আজকের কন্ঠের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 মাসুদ রানা , স্টাফ রিপোর্টার।

১৮ ই আগস্ট ২০২৩ ইং বাংলাদেশের একাধিক সেচ্ছাসেবী মানবিক সংগঠন সমুহের শীর্ষ স্থানীয় ব্যক্তিদের ব্যক্তিগত উদ্যোগে গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সাবেক মহামান্য রাষ্ট্রপতি মোঃ আব্দুল হামিদ সাহেবের এলাকা কিশোরগঞ্জের নিকলী হাওড় ভ্রমণের আয়েজন করা হয়।

উক্ত ভ্রমণ আয়েজন এর সফয় সঙ্গী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। ইঞ্জিনিয়ার মোঃ ফারুক হোসেন সভাপতি বাংলাদেশ ইঞ্জিনিয়ার এন্ড ইলেক্ট্রিশিয়ান কল্যাণ ফাউন্ডেশন, মোঃ শহিদুল ইসলাম সভাপতি কার্যনির্বাহী কমিটি স্মার্ট কর্মী সোসাইটি অফ বাংলাদেশ, মোঃ মাসুদ রানা সুমন কোষাধ্যক্ষ কার্যনির্বাহী স্মার্ট কর্মী সোসাইটি অফ বাংলাদেশ , মোঃ আমজাদ হোসেন ঠাকুর সাবেক সভাপতি কার্যনির্বাহী কমিটি বয়লার ওয়েলফেয়ার সোসাইটি অফ বাংলাদেশ, মোঃ আনোয়ার হোসেন কাশেম সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক কার্যনির্বাহী কমিটি বয়লার ওয়েলফেয়ার সোসাইটি অফ বাংলাদেশ, মোঃ আহসান হাবিব সাবেক কোষাধ্যক্ষ কার্যনির্বাহী কমিটি বয়লার ওয়েলফেয়ার সোসাইটি অফ বাংলাদেশ, মোঃ নাসির উদ্দিন, মোঃ ফরিদ উদ্দিন বেপারী মেম্বার অফ ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপার্টমেন্ট আনোয়ারা মান্নান গ্রুপ গাজীপুর ,মোঃসজিব মিয়া মেম্বার অফ ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপার্টমেন্ট আনোয়ারা মান্নান গ্রুপ গাজীপুর,,মোঃ রাশেদুল ইসলাম রাশেদ ম্যানেজিং ডিরেক্টর ন্যাশনটেক ঢাকা,মোঃ মিজানুর রহমান আকিজ ফুটওয়ার লিঃ ঢাকা, মোঃ সজিব মিয়া মেম্বার অফ ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপার্টমেন্ট এশিয়ান কম্পোজিট গাজীপুর সহ বেশ কিছু লোকের অক্লান্ত পরিশ্রমে বাংলাদেশের তিনটি সেচ্ছাসেবী মানবিক সংগঠন এর পারস্পারিক সাংগঠনিক ও ব্যক্তিগত সুসম্পর্ক তৈরীর লক্ষ্যে মূলত এই নিকলী হাওড় ভ্রমণের আয়োজন করা হয়। শুক্রবার সকাল চান্দনা চৌরাস্তা হতে সফরের উদ্দেশ্যে গাড়িটি ছাড়া হয়। রাস্তায় যানজট না থাকায় খুব সুন্দর ভাবে হাওরে পৌঁছে যায় হাওর ভ্রমণ যাত্রীগণ। হাওর পিপাসু সকলেই অর্থাৎ স্মার্ট কর্মী সোসাইটি অফ বাংলাদেশ, বয়লার ওয়েলফেয়ার সোসাইটি অফ বাংলাদেশ,বাংলাদেশ ইঞ্জিনিয়ার অ্যান্ড ইলেকট্রিশিয়ান কল্যাণ ফাউন্ডেশন এর ভ্রমণ পিপাসু ব্যক্তিগন প্রাকৃতিক সৌন্দর্য হাওরের থৈ থৈ বুকে করা পানির উপরে ভেসে আসা নৌকা টলার স্পিড বোর্ড সহ করে সূর্য ডুবে যাওয়ার সৌন্দর্য হাওর অঞ্চলের জীবন তথা হাওড় অঞ্চল কে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পদক্ষেপে হাওড় অঞ্চল কে আধুনিকায়ন ও যোগাযোগ ব্যবস্থা সৌন্দর্য করনের ফলে হাওড় অঞ্চল এখন পর্যটন কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে সেগুলো দেখতে দেখতে সময় শেষ হলেও হাওরের সৌন্দর্য দেখা তৃপ্ত তা মেলেনি মন চায় আরো দেখি আরো ঘুরি সময়ের স্বল্পতার কারণে আবারো -স্ব গন্তব্য স্থানে ফিরতে হয়। বাংলাদেশের একাধিক স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠান বা সংগঠন একত্রিত হয়ে যৌথভাবে ভ্রমণ আয়োজন এটা একটা বিরল দৃষ্টান্ত।

এবিষয়ে বাংলাদেশ ইঞ্জিনিয়ার অ্যান্ড ইলেকট্রিশিয়ান কল্যাণ ফাউন্ডেশন এর সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার ফারুক হোসেন, স্মার্ট কর্মী সোসাইটি অফ বাংলাদেশ,বয়লার ওয়েলফেয়ার সোসাইটি অফ বাংলাদেশ এর সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন কাশেম তিন সংগঠনের তিনজন প্রতিনিধি তাদের সুরে একই কথা বলেন আমরা আলাদা আলাদা সংগঠন হইলেও আমাদের মূল লক্ষ্য হচ্ছে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার এর মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার ঘোষণা অনুযায়ী বাংলাদেশকে স্মার্ট বাংলাদেশ হিসাবে রূপান্তরিত করতে স্ব স্ব অবস্থান হতে সহযোগিতা করার বিকল্প নেই। সে লক্ষ্যেই আমাদের এই আয়েজন। বাংলাদেশেকে সত্যিকারের স্মার্ট বাংলাদেশ হিসাবে রূপান্তরিত করতে হলে আমরা মনে করি আমাদের কে স্মার্ট হিসাবে রূপান্তরিত হতে হবে,আমরা স্মার্ট হতে হলে আমাদের সমাজ কেও স্মার্ট হিসেবে গড়ে তুলতে হবে সেটা কাহারও একার পক্ষে কোনভাবেই সম্ভব নয়।

সেটা কতরতে হলে সরকারের সাথে একত্বা প্রকাশ করে সাংগঠনিক ভাবে এগুতে হবে।আর সেই লক্ষ্য নিয়েই আমরা কাজ করে যাচ্ছি। আমরা হলে সমাজকে পরিবর্তন করতে ক্ষুধা দরিদ্রতা অভাব অনটন ইত্যাদি বেকারত্ব দূরীকরণ এর মাধ্যমেই সেটা করা সম্ভব। মোঃ মাসুদ রানা সুমন কোষাধ্যক্ষ স্মার্ট কর্মী সোসাইটি অফ বাংলাদেশ বলেন আজকে আমরা হাওড় ভ্রমনে এসে শুধুই প্রাকৃতিক সৌন্দর্যেই উপভোগ করিনি লক্ষ্য করেছি হাওড়ের বুক চিরে বয়ে চলা রাস্তা ব্রীজ সহ এলাকার পরিবেশ যেন মনে নানা জানি অন্য কোন দেশ আসলে এটাই আমার সোনার বাংলাদেশ। আমাদের উচিৎ আমাদের দেশ ও দেশের মানুষ কে ভালো বেসে এই দেশের মানুষের জন্য কাজ করা আমরা সেটাই করে যাচ্ছি।

আমাদের এই সমস্ত কাজ নিয়ে ভাবতে হবে যে কাজের মাধ্যমে মানুষ, সমাজ তথা দেশের জন্য কাজে লাগে। আমাদের উদ্দেশ্য আমরা নিজেরা যেমন স্বাবলম্বী হব সমাজ কে এমনভাবে গড়তে সাহায্য করবো মানুষ যেন চাকরি নির্ভর না হয়। আমাদেরকে লক্ষ্য করতে হবে সামাজিক অবক্ষয় মাদকাসক্ত সহ সামাজিক অপকর্ম হতে সচেতন করে সমাজকে সামাজিক দুরাগ্য ব্যাধি অক্ষয় হতে মুক্তি করতে হবে। এর জন্য অবশ্যই আমাদের ব্যক্তিগত উদ্যোগে কোনোভাবেই সম্ভব নয়। স্মার্ট বাংলাদেশ এর রুপকার স্বাধীনতার জনক বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এর সকল নির্দেশনা মেনে দেশ কে ভালোবেসে দেশের মানুষের পাশে দাড়াতে সমষ্টিগত উদ্যোগের বিকল্প নেই।

মোঃ আমাজাদ হোসেন ঠাকুর বলেন যেহেতু আমি আপনি কোন ভাবেই একার পক্ষে কোন কিছুই করা সম্ভব নয়। আসুন আমরা পরস্পর পরস্পরের সহিত সু সম্পর্ক এবং সাংগঠনিক ভাবে কাজের মাধ্যমে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মানে কার্যকরী ভুমিকা পালন করি।

মোঃ আনোয়ার হোসেন কাশেম বলেন সাংগঠনিক পরস্পর পরস্পরের সহিত সু সম্পর্ক গড়ে তোলার মাধ্যমেই হচ্ছে সংগঠন। একার পক্ষে যে কাজ করা সম্ভব নয় সেটা সাংগঠনিকভাবে করা সম্ভব। সেই লক্ষ্যে আমাদের এই আয়োজন। কাজের ফাঁকে বিনোদন না থাকলে যেমন বোরিং হয়ে যাই তেমনি তার মানসিকতার বিপর্যয়ও ঘটতে পারে।

আমাদের মানসিক চাপ কমাতে এবং মানসিক প্রশান্তির লক্ষ্যে বিনোদন ভ্রমণ খুবই জরুরী বলে মনে করি। আর একের ভিতর দুই হলো সাংগঠনিক আলোচনাও হল ভ্রমণ ও হলো। ইনশাআল্লাহ আমরা অচিরেই আরো বিশেষ বিশেষ জায়গাতে ভ্রমনে যাবো বলে চিন্তা ভাবনা করিতেছি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

error: Content is protected !!

BWSB,SKSB,BEEKF এর যৌথ ইঞ্জিনিয়ারিং টিম নিকলী হাওড় ভ্রমণ

আপডেট সময় : ০৪:০৩:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৩

 মাসুদ রানা , স্টাফ রিপোর্টার।

১৮ ই আগস্ট ২০২৩ ইং বাংলাদেশের একাধিক সেচ্ছাসেবী মানবিক সংগঠন সমুহের শীর্ষ স্থানীয় ব্যক্তিদের ব্যক্তিগত উদ্যোগে গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সাবেক মহামান্য রাষ্ট্রপতি মোঃ আব্দুল হামিদ সাহেবের এলাকা কিশোরগঞ্জের নিকলী হাওড় ভ্রমণের আয়েজন করা হয়।

উক্ত ভ্রমণ আয়েজন এর সফয় সঙ্গী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। ইঞ্জিনিয়ার মোঃ ফারুক হোসেন সভাপতি বাংলাদেশ ইঞ্জিনিয়ার এন্ড ইলেক্ট্রিশিয়ান কল্যাণ ফাউন্ডেশন, মোঃ শহিদুল ইসলাম সভাপতি কার্যনির্বাহী কমিটি স্মার্ট কর্মী সোসাইটি অফ বাংলাদেশ, মোঃ মাসুদ রানা সুমন কোষাধ্যক্ষ কার্যনির্বাহী স্মার্ট কর্মী সোসাইটি অফ বাংলাদেশ , মোঃ আমজাদ হোসেন ঠাকুর সাবেক সভাপতি কার্যনির্বাহী কমিটি বয়লার ওয়েলফেয়ার সোসাইটি অফ বাংলাদেশ, মোঃ আনোয়ার হোসেন কাশেম সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক কার্যনির্বাহী কমিটি বয়লার ওয়েলফেয়ার সোসাইটি অফ বাংলাদেশ, মোঃ আহসান হাবিব সাবেক কোষাধ্যক্ষ কার্যনির্বাহী কমিটি বয়লার ওয়েলফেয়ার সোসাইটি অফ বাংলাদেশ, মোঃ নাসির উদ্দিন, মোঃ ফরিদ উদ্দিন বেপারী মেম্বার অফ ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপার্টমেন্ট আনোয়ারা মান্নান গ্রুপ গাজীপুর ,মোঃসজিব মিয়া মেম্বার অফ ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপার্টমেন্ট আনোয়ারা মান্নান গ্রুপ গাজীপুর,,মোঃ রাশেদুল ইসলাম রাশেদ ম্যানেজিং ডিরেক্টর ন্যাশনটেক ঢাকা,মোঃ মিজানুর রহমান আকিজ ফুটওয়ার লিঃ ঢাকা, মোঃ সজিব মিয়া মেম্বার অফ ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপার্টমেন্ট এশিয়ান কম্পোজিট গাজীপুর সহ বেশ কিছু লোকের অক্লান্ত পরিশ্রমে বাংলাদেশের তিনটি সেচ্ছাসেবী মানবিক সংগঠন এর পারস্পারিক সাংগঠনিক ও ব্যক্তিগত সুসম্পর্ক তৈরীর লক্ষ্যে মূলত এই নিকলী হাওড় ভ্রমণের আয়োজন করা হয়। শুক্রবার সকাল চান্দনা চৌরাস্তা হতে সফরের উদ্দেশ্যে গাড়িটি ছাড়া হয়। রাস্তায় যানজট না থাকায় খুব সুন্দর ভাবে হাওরে পৌঁছে যায় হাওর ভ্রমণ যাত্রীগণ। হাওর পিপাসু সকলেই অর্থাৎ স্মার্ট কর্মী সোসাইটি অফ বাংলাদেশ, বয়লার ওয়েলফেয়ার সোসাইটি অফ বাংলাদেশ,বাংলাদেশ ইঞ্জিনিয়ার অ্যান্ড ইলেকট্রিশিয়ান কল্যাণ ফাউন্ডেশন এর ভ্রমণ পিপাসু ব্যক্তিগন প্রাকৃতিক সৌন্দর্য হাওরের থৈ থৈ বুকে করা পানির উপরে ভেসে আসা নৌকা টলার স্পিড বোর্ড সহ করে সূর্য ডুবে যাওয়ার সৌন্দর্য হাওর অঞ্চলের জীবন তথা হাওড় অঞ্চল কে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পদক্ষেপে হাওড় অঞ্চল কে আধুনিকায়ন ও যোগাযোগ ব্যবস্থা সৌন্দর্য করনের ফলে হাওড় অঞ্চল এখন পর্যটন কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে সেগুলো দেখতে দেখতে সময় শেষ হলেও হাওরের সৌন্দর্য দেখা তৃপ্ত তা মেলেনি মন চায় আরো দেখি আরো ঘুরি সময়ের স্বল্পতার কারণে আবারো -স্ব গন্তব্য স্থানে ফিরতে হয়। বাংলাদেশের একাধিক স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠান বা সংগঠন একত্রিত হয়ে যৌথভাবে ভ্রমণ আয়োজন এটা একটা বিরল দৃষ্টান্ত।

এবিষয়ে বাংলাদেশ ইঞ্জিনিয়ার অ্যান্ড ইলেকট্রিশিয়ান কল্যাণ ফাউন্ডেশন এর সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার ফারুক হোসেন, স্মার্ট কর্মী সোসাইটি অফ বাংলাদেশ,বয়লার ওয়েলফেয়ার সোসাইটি অফ বাংলাদেশ এর সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন কাশেম তিন সংগঠনের তিনজন প্রতিনিধি তাদের সুরে একই কথা বলেন আমরা আলাদা আলাদা সংগঠন হইলেও আমাদের মূল লক্ষ্য হচ্ছে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার এর মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার ঘোষণা অনুযায়ী বাংলাদেশকে স্মার্ট বাংলাদেশ হিসাবে রূপান্তরিত করতে স্ব স্ব অবস্থান হতে সহযোগিতা করার বিকল্প নেই। সে লক্ষ্যেই আমাদের এই আয়েজন। বাংলাদেশেকে সত্যিকারের স্মার্ট বাংলাদেশ হিসাবে রূপান্তরিত করতে হলে আমরা মনে করি আমাদের কে স্মার্ট হিসাবে রূপান্তরিত হতে হবে,আমরা স্মার্ট হতে হলে আমাদের সমাজ কেও স্মার্ট হিসেবে গড়ে তুলতে হবে সেটা কাহারও একার পক্ষে কোনভাবেই সম্ভব নয়।

সেটা কতরতে হলে সরকারের সাথে একত্বা প্রকাশ করে সাংগঠনিক ভাবে এগুতে হবে।আর সেই লক্ষ্য নিয়েই আমরা কাজ করে যাচ্ছি। আমরা হলে সমাজকে পরিবর্তন করতে ক্ষুধা দরিদ্রতা অভাব অনটন ইত্যাদি বেকারত্ব দূরীকরণ এর মাধ্যমেই সেটা করা সম্ভব। মোঃ মাসুদ রানা সুমন কোষাধ্যক্ষ স্মার্ট কর্মী সোসাইটি অফ বাংলাদেশ বলেন আজকে আমরা হাওড় ভ্রমনে এসে শুধুই প্রাকৃতিক সৌন্দর্যেই উপভোগ করিনি লক্ষ্য করেছি হাওড়ের বুক চিরে বয়ে চলা রাস্তা ব্রীজ সহ এলাকার পরিবেশ যেন মনে নানা জানি অন্য কোন দেশ আসলে এটাই আমার সোনার বাংলাদেশ। আমাদের উচিৎ আমাদের দেশ ও দেশের মানুষ কে ভালো বেসে এই দেশের মানুষের জন্য কাজ করা আমরা সেটাই করে যাচ্ছি।

আমাদের এই সমস্ত কাজ নিয়ে ভাবতে হবে যে কাজের মাধ্যমে মানুষ, সমাজ তথা দেশের জন্য কাজে লাগে। আমাদের উদ্দেশ্য আমরা নিজেরা যেমন স্বাবলম্বী হব সমাজ কে এমনভাবে গড়তে সাহায্য করবো মানুষ যেন চাকরি নির্ভর না হয়। আমাদেরকে লক্ষ্য করতে হবে সামাজিক অবক্ষয় মাদকাসক্ত সহ সামাজিক অপকর্ম হতে সচেতন করে সমাজকে সামাজিক দুরাগ্য ব্যাধি অক্ষয় হতে মুক্তি করতে হবে। এর জন্য অবশ্যই আমাদের ব্যক্তিগত উদ্যোগে কোনোভাবেই সম্ভব নয়। স্মার্ট বাংলাদেশ এর রুপকার স্বাধীনতার জনক বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এর সকল নির্দেশনা মেনে দেশ কে ভালোবেসে দেশের মানুষের পাশে দাড়াতে সমষ্টিগত উদ্যোগের বিকল্প নেই।

মোঃ আমাজাদ হোসেন ঠাকুর বলেন যেহেতু আমি আপনি কোন ভাবেই একার পক্ষে কোন কিছুই করা সম্ভব নয়। আসুন আমরা পরস্পর পরস্পরের সহিত সু সম্পর্ক এবং সাংগঠনিক ভাবে কাজের মাধ্যমে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মানে কার্যকরী ভুমিকা পালন করি।

মোঃ আনোয়ার হোসেন কাশেম বলেন সাংগঠনিক পরস্পর পরস্পরের সহিত সু সম্পর্ক গড়ে তোলার মাধ্যমেই হচ্ছে সংগঠন। একার পক্ষে যে কাজ করা সম্ভব নয় সেটা সাংগঠনিকভাবে করা সম্ভব। সেই লক্ষ্যে আমাদের এই আয়োজন। কাজের ফাঁকে বিনোদন না থাকলে যেমন বোরিং হয়ে যাই তেমনি তার মানসিকতার বিপর্যয়ও ঘটতে পারে।

আমাদের মানসিক চাপ কমাতে এবং মানসিক প্রশান্তির লক্ষ্যে বিনোদন ভ্রমণ খুবই জরুরী বলে মনে করি। আর একের ভিতর দুই হলো সাংগঠনিক আলোচনাও হল ভ্রমণ ও হলো। ইনশাআল্লাহ আমরা অচিরেই আরো বিশেষ বিশেষ জায়গাতে ভ্রমনে যাবো বলে চিন্তা ভাবনা করিতেছি।