সংবাদ শিরোনাম ::
পঞ্চগড়ের বোদায় গাঁজাসহ ১ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার। পীরগঞ্জে ভাষার সাথে প্রতিযোগিতা  পীরগঞ্জে ইকো পাঠশালার বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগীতা ও পুরস্কার বিতরণ ফুলবাড়ী সরকারি কলেজ চত্বরে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন॥ ফুলবাড়ী বিজিবি সদর দপ্তরে ৭ কোটি ৫৯ লক্ষ ৩৬ হাজার টাকার অবৈধ্য মাদক ধ্বংস মোতাবেক অনুপ্রবেশকৃত হাতি দু’টি ভারতে ফেরত পাঠানোর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয় ঘোড়াঘাটে শহীদ দিবস পালিত আনভিল বাপ্পি ঘোড়াঘাট দেওয়ানগঞ্জে ২৬ তম ব্যবসায়ী কর্মচারী কল্যাণ সমিতির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত পীরগঞ্জে ২১ ফেব্রুয়ারি উপলক্ষে চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা উপজেলা পরিষদ নির্বাচন ২০২৪ ফুলবাড়ীতে বাবুল,মঞ্জু,নীরুকে আওয়ামীলীগ সমর্থিত প্রার্থী হিসাবে ঘোষনা

নাটোরের প্রতিবন্ধী সাংবাদিক মাসুদ রানা তার নিজের সম্পত্তি ফেরত পেতে আবেদন করলেন স্থানীয় সরকার চেয়ারম্যান আব্দুল বারী ৪নং মশিন্দা ইউনিয়ন পরিষদ শুরু দাস নাটোর এর বরাবর

নাটোর প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৪:১১:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৩ ৪১ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক আজকের কন্ঠের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মাননীয়, চেয়ারম্যান মহাদ্বয়, ০৪ নং মশিন্দা ইউনিয়ন পরিষদ গুরুদাসপুর -নাটোর ৬১ বিষয়ঃ ভূমি বিরোধ মিমাংসা প্রসংগে। জনাব, সবিনয় নিবেদন এই যে আমি আপনার পরিষদের অন্তর্গত ৩ নং ওয়ার্ডের বামন কোলা গ্রামের মোঃ মাসুদ রানা পিতা মোঃ আব্দুস সামাদ প্রামানিক। আমার নিজ নামে মশিন্দা মৌজার মশিন্দা শিকার পাড়া গ্রামে ৪৭.২৫ শতাংশ ধানি জমি আছে, উক্ত জমি আমার মায়ের দেওয়া সম্পত্তি। যাহা দীর্ঘদিন যাবত আমার মামা আব্দুর রউফ মোল্লাহ চাষাবাদ করছিলেন। হঠাৎ রোড এক্সিডেন্টে আমার ডান পা ভেঙ্গে যাওয়ায় আমার চাকুরী চলে যায়, আমার সন্তান সাদিয়া পারভীন মুক্তা আমার পা ভাংগায়র শোকে স্ট্রোক করে। আমার সন্তান ও আমার দুরবস্থা দেখে আমার গর্ভধারিণী মা ও স্ট্রোক করে এবং চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন। তখনও ঢাকার সি আর পি তে আমার পায়ের চিকিৎসা চলমান তাই আমার স্তী আমার সাথেই ছিলো। আমি এক্সিডেন্ট এর পর হতে আমার সন্তানেরা আমার মায়ের কাছেই থাকতো। আমার মায়ের ইন্তেকালের পর আমার দাদী আমার সন্তানদের দেখাশোনা করতেন। দাদীজান আমার সন্তানদের দেখা শোনা করতে করতে সে নিজেও অসুস্থ হয়ে পড়ে এবং সেও ইন্তেকাল করেন। আমার দাদী জানের ইন্তেকালের পরে আমার মেয়েটা আরও বেশী অসুস হয়ে বিরোল রোগেহিমোফিলিয়ায় আক্রান্ত হয়ে পড়ে। হিমোফিলিয়ায় আক্রান্তের সাথে সাথে তার চোখ,মুখ ও নাক দিয়ে অনর্গল রক্ত পড়তে থাকে। আমি ও আমার পরিবারের পক্ষ হতে বাংলাদেশের বিভিন্ন সরকারি বে-সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা করানোর পর উন্নতি না হলে চিকিৎসকগণ বলেন এই রোগের প্রপার ট্রিটমেন্ট বাংলাদেশে নাই। সন্তানকে বাঁচাতে উন্নত চিকিৎসার জন্য ইন্ডিয়া নেওয়ার লক্ষ্যে অর্থের প্রয়োজনে, নিররুপায় হয়ে আমার সম্পত্তি বিক্রয়ের সিদ্ধান্ত নেই। তদানুযায়ী নাটোরের হয়বতপুর বাজারের নিকটবর্তী বাড়ি হতে কিছু অংশ বিক্রির চেস্টা করি। যে বাড়িতে আমি আমার সন্তানদের নিয়ে বসবাস করতাম।। কিন্তু সেখানে ব্যর্থ হই কারণ উক্ত বাড়িটি যাহার নিকট ক্রয় করা হয়েছিলো সেই ব্যাক্তি প্রতারক নজরুল ইসলাম দিয়ার সাতুরিয়া হয়বতপুর নাটোর। উক্ত বাড়ির জমি আমার নিকট বিক্রির পুর্বেই অগ্রণী ব্যাংক এর নিকট মর্গেজ রেজিষ্ট্রেশন করে দিয়ে বিপুল পরিমাণ টাকা নিয়ে সুদ আসল কিছুই পরিশোধ করে নাই। আমি বাড়িটি বিক্রি করবো ব্যাংক সেই সংবাদ পেলে বাড়িটিতে দ্বায়বদ্ধ সাইন বোর্ড লাগিয়ে দেয়। এমনি কি বাড়িটি নিলাম করবে বলে হুশিয়ারী দেয়। আসলে এটাও ছিলো প্রতারক নজরুল ইসলাম এর কৌশল। আমি বাড়িটি দ্রুত ছেড়ে দেই আর সে তার নিজস্ব লোকের দ্বারা বাড়িটি নিয়ে নিতে পারে। উপায়ান্ত না পেয়ে সন্তান কে বাচাতে। আমার প্রতিনিধির মাধ্যমে গুরুদাসপুর উপজেলার মশিন্দা মৌজা, শিকার পাড়া গ্রামের জমিগুলো বিক্রি করার জন্য চেস্টা পাই। সে সময় আমি নিজেও অসুস্থ অবস্থায় সাভারের সি আর পিতে চিকিৎসাধীন ছিলাম। জমি বিক্রি করার জন্য আমার প্রতিনিধি সহ জাতীয় দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার পত্রিকা সহ বিভিন্ন পোর্টালে জমি বিক্রি হবে মর্মে বিজ্ঞাপন দেই। কিন্তু অদৃশ্য ও সাদৃশ্য শক্তির প্রভাবে আমি আমার জমি বিক্রি করতে পারি না। সে সময় আমি ও আমার দুই সন্তান খুবই অসুস্থ সন্তানদয় প্রায় মৃত্যু পথের যাত্রী। আমার সন্তান দ্বয় সাদিয়া পারভীন মুক্তা ও আনাস ইকবাল আসির কে বাঁচাতে আমি ও আমার স্ত্রী দিশেহারা। জমি সম্পদ থেকেও বিক্রি করতে পারছিনা কারণ বিভিন্নভাবে জমি বিক্রিতে বাধাগ্রস্থ করা হচ্ছে। এমনকি কি আমাকে এক প্রকার হুমকিও দেওয়া হচ্ছিল। বিভিন্ন জায়গায় বলা হচ্ছিল যে কে আসবে এই জমিতে আসুক এই জমিতে আসলে লাশ ফেলে দেওয়া হবে। আমি অসুস্থ প্রতিবন্ধী মানুষ আমার সেই শক্তি সামর্থ নাই নিজে ও সন্তানদের চিকিৎসাধীন অবস্থায় স্ব-শরীরে শিকার পাড়া গ্রামের জমিতে যেতে পারি নাই। নইজে ও সন্তানদের চিকিৎসা করবো নাকি জমির পিছে দৌড়াবো? তাই আমি আর সেখানে সেই ভাবে যেতে পারি নাই যেভাবে দখলদার হুমকি দিয়ে বলেছিলো। হয়তো আমার সেই সময় শক্তি ও সামর্থ্য থাকলে দখলদারের হুমকির মোকাবেলা করতে যেতাম। আমি ভেবেছি আমি দুর্বল আমি ও আমার সন্তানদের চিকিৎসা জরুরী। একদিন না একদিন আমি আমার জমি ফেরত পাবই ইনশাআল্লাহ। দুঃখের বিষয় সম্পদ থেকেও আমি ও আমার সন্তানদের চিকিৎসার প্রয়োজনে যমুনা টেলিভিশন চ্যানেল সহ দেশের বিভিন্ন গণ মাধ্যম এর মাধ্যমে সাহায্য সহোযোগিতা নিয়ে আমার সন্তানদের চিকিৎসা করানো হয়েছে বর্তমানেও চিকিৎসা চলমান আছে। আমার বিশ্বাস ৪নং মশিন্দা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মহাদ্বয় অতীব সৎ ও নীতিবান মানুষ। অবশ্যই সে আমি ও আমার সন্তানদের ন্যায়বিচার পেতে সাহায্য করবেন ইনশাআল্লাহ। এছাড়াও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকার। নতুন ভূমি সুরক্ষা আইন করেছেন এই আইনের আওতায় আমি ও আমার মত হাজার হাজার নিরীহ অসহায় মানুষগুলো তাদের ন্যায্য সম্পত্তি ফিরে পাবো বলে আশাবাদী। আমি ও আমার অসহায় সন্তানেরা যদি বাংলাদেশের নাগরিক হয়ে থাকি। তাহলে আপনি ন্যায় পরায়ন স্থানীয় সরকার হিসাবে আপনার নিকট বিনয়ের সহিত আকুল আবেদন জানাচ্ছি। আপনি সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে ন্যায় বিচার সাপেক্ষে আমার ন্যায্য সম্পত্তি ভোগদখল করার সুযোগ করে দিবেন ইনশাআল্লাহ। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের নিকট আবেদন।আমি এই বাংলাদেশের নাগরিক হিসাবে আমার ভাত কাপড় চিকিৎসা,ন্যায় বিচার ও আমার সন্তানদের শিক্ষার অধিকার চাই। যে সময় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ছিন্নমূলের মানুষদের পাকা ঘর বাড়ির মালিক করে দিচ্ছেন। ঠিক সেই সময় আমি ও আমার পরিবার কে আমার নিজের ঘর বাড়ি হতে বেড় করে দেওয়া হয়েছে কি আমার অপরাধ? আমি ও আমার দুই সন্তান দুর্বল প্রতিবন্ধী বলে? আমাদের স্থানীয় সরকার ৪ নং মসিন্দা ইউনিয়ন পরিষদের মাননীয় চেয়ারম্যান মহাদ্বয় এর সুপারিশ নিয়ে। নাটোর জেলার জেলা প্রশাসক মহোদয়ের মাধ্যমে উপযুক্ত ফায়সালা চাই। যেন আমি ও আমার সন্তানেরা, হয়বতপুর নাটোর আমার নিজ বসতবাড়িতে স্ব-পরিবারে বসবাস করতে পারি। মাননীয় জেলা প্রশাসক মহাদ্বয় আমি ও আমার পরিবার কে আমার নিজ বাড়িতে থাকার সু-ব্যবস্থা করে দিবেন যেন আমি আমার সন্তানদের সু চিকিৎসা দিয়ে সুস্থ করে মানুষের মত মানুষ করে গড়ে তুলতে পারি। বিনীত নিবেদকঃ মোঃ মাসুদ রানা পিতা মোঃ আব্দুস সামাদ প্রামানিক গ্রাম বামনকোলা ডাকঘর শিকারপুর ইউনিয়ন ৪ নং মশিন্দা ইউনিয়ন থানা গুরুদাসপুর জেলা নাটোর।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

error: Content is protected !!

নাটোরের প্রতিবন্ধী সাংবাদিক মাসুদ রানা তার নিজের সম্পত্তি ফেরত পেতে আবেদন করলেন স্থানীয় সরকার চেয়ারম্যান আব্দুল বারী ৪নং মশিন্দা ইউনিয়ন পরিষদ শুরু দাস নাটোর এর বরাবর

আপডেট সময় : ০৪:১১:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৩

মাননীয়, চেয়ারম্যান মহাদ্বয়, ০৪ নং মশিন্দা ইউনিয়ন পরিষদ গুরুদাসপুর -নাটোর ৬১ বিষয়ঃ ভূমি বিরোধ মিমাংসা প্রসংগে। জনাব, সবিনয় নিবেদন এই যে আমি আপনার পরিষদের অন্তর্গত ৩ নং ওয়ার্ডের বামন কোলা গ্রামের মোঃ মাসুদ রানা পিতা মোঃ আব্দুস সামাদ প্রামানিক। আমার নিজ নামে মশিন্দা মৌজার মশিন্দা শিকার পাড়া গ্রামে ৪৭.২৫ শতাংশ ধানি জমি আছে, উক্ত জমি আমার মায়ের দেওয়া সম্পত্তি। যাহা দীর্ঘদিন যাবত আমার মামা আব্দুর রউফ মোল্লাহ চাষাবাদ করছিলেন। হঠাৎ রোড এক্সিডেন্টে আমার ডান পা ভেঙ্গে যাওয়ায় আমার চাকুরী চলে যায়, আমার সন্তান সাদিয়া পারভীন মুক্তা আমার পা ভাংগায়র শোকে স্ট্রোক করে। আমার সন্তান ও আমার দুরবস্থা দেখে আমার গর্ভধারিণী মা ও স্ট্রোক করে এবং চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন। তখনও ঢাকার সি আর পি তে আমার পায়ের চিকিৎসা চলমান তাই আমার স্তী আমার সাথেই ছিলো। আমি এক্সিডেন্ট এর পর হতে আমার সন্তানেরা আমার মায়ের কাছেই থাকতো। আমার মায়ের ইন্তেকালের পর আমার দাদী আমার সন্তানদের দেখাশোনা করতেন। দাদীজান আমার সন্তানদের দেখা শোনা করতে করতে সে নিজেও অসুস্থ হয়ে পড়ে এবং সেও ইন্তেকাল করেন। আমার দাদী জানের ইন্তেকালের পরে আমার মেয়েটা আরও বেশী অসুস হয়ে বিরোল রোগেহিমোফিলিয়ায় আক্রান্ত হয়ে পড়ে। হিমোফিলিয়ায় আক্রান্তের সাথে সাথে তার চোখ,মুখ ও নাক দিয়ে অনর্গল রক্ত পড়তে থাকে। আমি ও আমার পরিবারের পক্ষ হতে বাংলাদেশের বিভিন্ন সরকারি বে-সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা করানোর পর উন্নতি না হলে চিকিৎসকগণ বলেন এই রোগের প্রপার ট্রিটমেন্ট বাংলাদেশে নাই। সন্তানকে বাঁচাতে উন্নত চিকিৎসার জন্য ইন্ডিয়া নেওয়ার লক্ষ্যে অর্থের প্রয়োজনে, নিররুপায় হয়ে আমার সম্পত্তি বিক্রয়ের সিদ্ধান্ত নেই। তদানুযায়ী নাটোরের হয়বতপুর বাজারের নিকটবর্তী বাড়ি হতে কিছু অংশ বিক্রির চেস্টা করি। যে বাড়িতে আমি আমার সন্তানদের নিয়ে বসবাস করতাম।। কিন্তু সেখানে ব্যর্থ হই কারণ উক্ত বাড়িটি যাহার নিকট ক্রয় করা হয়েছিলো সেই ব্যাক্তি প্রতারক নজরুল ইসলাম দিয়ার সাতুরিয়া হয়বতপুর নাটোর। উক্ত বাড়ির জমি আমার নিকট বিক্রির পুর্বেই অগ্রণী ব্যাংক এর নিকট মর্গেজ রেজিষ্ট্রেশন করে দিয়ে বিপুল পরিমাণ টাকা নিয়ে সুদ আসল কিছুই পরিশোধ করে নাই। আমি বাড়িটি বিক্রি করবো ব্যাংক সেই সংবাদ পেলে বাড়িটিতে দ্বায়বদ্ধ সাইন বোর্ড লাগিয়ে দেয়। এমনি কি বাড়িটি নিলাম করবে বলে হুশিয়ারী দেয়। আসলে এটাও ছিলো প্রতারক নজরুল ইসলাম এর কৌশল। আমি বাড়িটি দ্রুত ছেড়ে দেই আর সে তার নিজস্ব লোকের দ্বারা বাড়িটি নিয়ে নিতে পারে। উপায়ান্ত না পেয়ে সন্তান কে বাচাতে। আমার প্রতিনিধির মাধ্যমে গুরুদাসপুর উপজেলার মশিন্দা মৌজা, শিকার পাড়া গ্রামের জমিগুলো বিক্রি করার জন্য চেস্টা পাই। সে সময় আমি নিজেও অসুস্থ অবস্থায় সাভারের সি আর পিতে চিকিৎসাধীন ছিলাম। জমি বিক্রি করার জন্য আমার প্রতিনিধি সহ জাতীয় দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার পত্রিকা সহ বিভিন্ন পোর্টালে জমি বিক্রি হবে মর্মে বিজ্ঞাপন দেই। কিন্তু অদৃশ্য ও সাদৃশ্য শক্তির প্রভাবে আমি আমার জমি বিক্রি করতে পারি না। সে সময় আমি ও আমার দুই সন্তান খুবই অসুস্থ সন্তানদয় প্রায় মৃত্যু পথের যাত্রী। আমার সন্তান দ্বয় সাদিয়া পারভীন মুক্তা ও আনাস ইকবাল আসির কে বাঁচাতে আমি ও আমার স্ত্রী দিশেহারা। জমি সম্পদ থেকেও বিক্রি করতে পারছিনা কারণ বিভিন্নভাবে জমি বিক্রিতে বাধাগ্রস্থ করা হচ্ছে। এমনকি কি আমাকে এক প্রকার হুমকিও দেওয়া হচ্ছিল। বিভিন্ন জায়গায় বলা হচ্ছিল যে কে আসবে এই জমিতে আসুক এই জমিতে আসলে লাশ ফেলে দেওয়া হবে। আমি অসুস্থ প্রতিবন্ধী মানুষ আমার সেই শক্তি সামর্থ নাই নিজে ও সন্তানদের চিকিৎসাধীন অবস্থায় স্ব-শরীরে শিকার পাড়া গ্রামের জমিতে যেতে পারি নাই। নইজে ও সন্তানদের চিকিৎসা করবো নাকি জমির পিছে দৌড়াবো? তাই আমি আর সেখানে সেই ভাবে যেতে পারি নাই যেভাবে দখলদার হুমকি দিয়ে বলেছিলো। হয়তো আমার সেই সময় শক্তি ও সামর্থ্য থাকলে দখলদারের হুমকির মোকাবেলা করতে যেতাম। আমি ভেবেছি আমি দুর্বল আমি ও আমার সন্তানদের চিকিৎসা জরুরী। একদিন না একদিন আমি আমার জমি ফেরত পাবই ইনশাআল্লাহ। দুঃখের বিষয় সম্পদ থেকেও আমি ও আমার সন্তানদের চিকিৎসার প্রয়োজনে যমুনা টেলিভিশন চ্যানেল সহ দেশের বিভিন্ন গণ মাধ্যম এর মাধ্যমে সাহায্য সহোযোগিতা নিয়ে আমার সন্তানদের চিকিৎসা করানো হয়েছে বর্তমানেও চিকিৎসা চলমান আছে। আমার বিশ্বাস ৪নং মশিন্দা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মহাদ্বয় অতীব সৎ ও নীতিবান মানুষ। অবশ্যই সে আমি ও আমার সন্তানদের ন্যায়বিচার পেতে সাহায্য করবেন ইনশাআল্লাহ। এছাড়াও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকার। নতুন ভূমি সুরক্ষা আইন করেছেন এই আইনের আওতায় আমি ও আমার মত হাজার হাজার নিরীহ অসহায় মানুষগুলো তাদের ন্যায্য সম্পত্তি ফিরে পাবো বলে আশাবাদী। আমি ও আমার অসহায় সন্তানেরা যদি বাংলাদেশের নাগরিক হয়ে থাকি। তাহলে আপনি ন্যায় পরায়ন স্থানীয় সরকার হিসাবে আপনার নিকট বিনয়ের সহিত আকুল আবেদন জানাচ্ছি। আপনি সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে ন্যায় বিচার সাপেক্ষে আমার ন্যায্য সম্পত্তি ভোগদখল করার সুযোগ করে দিবেন ইনশাআল্লাহ। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের নিকট আবেদন।আমি এই বাংলাদেশের নাগরিক হিসাবে আমার ভাত কাপড় চিকিৎসা,ন্যায় বিচার ও আমার সন্তানদের শিক্ষার অধিকার চাই। যে সময় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ছিন্নমূলের মানুষদের পাকা ঘর বাড়ির মালিক করে দিচ্ছেন। ঠিক সেই সময় আমি ও আমার পরিবার কে আমার নিজের ঘর বাড়ি হতে বেড় করে দেওয়া হয়েছে কি আমার অপরাধ? আমি ও আমার দুই সন্তান দুর্বল প্রতিবন্ধী বলে? আমাদের স্থানীয় সরকার ৪ নং মসিন্দা ইউনিয়ন পরিষদের মাননীয় চেয়ারম্যান মহাদ্বয় এর সুপারিশ নিয়ে। নাটোর জেলার জেলা প্রশাসক মহোদয়ের মাধ্যমে উপযুক্ত ফায়সালা চাই। যেন আমি ও আমার সন্তানেরা, হয়বতপুর নাটোর আমার নিজ বসতবাড়িতে স্ব-পরিবারে বসবাস করতে পারি। মাননীয় জেলা প্রশাসক মহাদ্বয় আমি ও আমার পরিবার কে আমার নিজ বাড়িতে থাকার সু-ব্যবস্থা করে দিবেন যেন আমি আমার সন্তানদের সু চিকিৎসা দিয়ে সুস্থ করে মানুষের মত মানুষ করে গড়ে তুলতে পারি। বিনীত নিবেদকঃ মোঃ মাসুদ রানা পিতা মোঃ আব্দুস সামাদ প্রামানিক গ্রাম বামনকোলা ডাকঘর শিকারপুর ইউনিয়ন ৪ নং মশিন্দা ইউনিয়ন থানা গুরুদাসপুর জেলা নাটোর।